উপজেলা বড়লেখা: দুর্নীতি ও অনীয়ম শোষিত সাধারণ সি.এন.জি শ্রমিক আর কতিপয় ব্যক্তিদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
জেলা মৌলভীবাজার :
বিভাগ সিলেট:
সর্বমোট গ্যাস চালিত সি.এন.জি অটোরিকশা আনুমানিক ৩২০০ /৩৫০০
সর্বমোট ষ্ট্যান্ড বা ইউনিট : ৩২ টি। কার্যকর আছে ২৮ টি ইউনিট।
একটি সি.এন.জি অটোরিকশা ঐ ২৮ ষ্ট্যান্ডের যেকোন একটিতে প্রাথমিক অন্তর্ভূক্তির সময় অথবা নতুন অন্তর্ভূক্তির সময় সি.এন.জি প্রতি গুণতে হয় মালিকপক্ষকে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা, কোন বৈধ রশিদ ছাড়া।
যদি প্রতিটি ষ্ট্যাণ্ডে গড়ে ১২৮ টি সি.এন.জি অটোরিকশা থাকে তাহলে ৩৫০০ টি সি.এন.জি থেকে ইউনিট গুলোর সর্বমোট আয় হয়ছে এ পযর্ন্ত এক কোটি পচাত্তর লাখ টাকা ১৭৫০০০০০০/=
প্রতিদিন শ্রমিককল্যাণ তহবিলের নামে ষ্ট্যান্ডের নিজস্ব লিষ্টেড গাড়ি প্রতি ২০ টাকা নেয়া হয়,সিরিয়াল দেয়ার জন্য বা পার্কিং এর জন্য ঐ ২০ টাকা থেকে আবার ২ টাকা যায় জেলা সি.এন.জি শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসে এবং আরো ২ টাকা যায় উপজেলা সি.এন.জি শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে, বাকী ১৬ টাকা নেয়া হয় প্রতিটি ষ্ট্যান্ডের অফিসে। (অথচ ২০ টাকা আদায় করা হয় শ্রমিককল্যাণের নাম করে) যদি গড়ে ৩২০০ টি সি.এন.জি অটোরিকশা হতে ২০ টাকা হারে আদায় করা হয় তাহলে প্রতিদিন সর্বমোট আদায় হয় ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা অর্থাৎ মাসে ২১০০০০০/= ( একুশ লক্ষ ) টাকা যা চালক বা শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা কিন্তু এই টাকা গুলো কাদের পকেটে যায়?
সব থেকে মারাত্মক যে বিষয়টি হচ্ছে প্রতিটি সি.এন.জি অটোরিকশা হতে মাসিক উপজেলা কমিটি আদায় করে, ২৫০ টাকা হারে এবং যেহেতু শতকরা ৯০ ভাগ গাড়ির নেই কোন কাগজপত্র বা মেয়াদউত্তীর্ণ কাগজ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালক তাই ঐ টাকা থেকে ১০০ টাকা দেয়া হয় বিয়ানীবাজার থানাকে, ৫০ টাকা বড়লেখা থানাকে, ৫০ টাকা জুড়ি থানা, ৫০ টাকা কুলাউড়া থানাকে। বড়লেখা থানার এসব সি.এন.জি কুলাউড়া থানার পর জেলা শহর মৌলভীবাজার বা বিভাগীয় শহর সিলেটে যেতে পারেনা কারণ ঐখানের পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এ উৎকোচ যায় না।
যদি বড়লেখায় গড়ে ৩৫০০ টি সি.এন.জি থাকে এবং প্রতি মাসে ২৫০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হয় তাহলে মোট টাকার অংক প্রতি মাসে ৮,৭৫,০০০/= ( আট লক্ষ পচাত্তর হাজার ) টাকা। আর এসব অবৈধ কাজ ও দুর্নীতির ফলে বাংলাদেশ সরকার বঞ্চিত হচ্ছেন কোটি টাকার রাজস্ব থেকে।
( তথ্যসূত্র সাধারণ সি.এন.জি চালক, সি.এন.জি মালিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নের কিছু নেতা)
এটি একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং এই সংঘবদ্ধ অপরাধে প্রথমে জড়িত শ্রমিক ইউনিয়নের নাম করে উপজেলা পর্যায়ের এসব কমিটি এবং কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা থাকেন সহযোগিতায়।
বিঃদ্রঃ একটি বিষয় একটু চিন্তা করে দেখুন তো এসব শ্রমিক নেতা নামধারী কতিপয় দূষ্কৃতিকারীদের আয়ের উৎস কি বা কি কারণে এরা লক্ষ টাকা খরচ করে নির্বাচন করে একটি পদ পাওয়ার আসায়?
এসব দুর্নীতি রুখতে হবে।
উত্তরমুছুন