শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২২

বড়লেখা উপজেলায় সি.এন.জি চালিত অটোরিকশা এবং সীমাহীন দুর্নীতি।

উপজেলা বড়লেখা: দুর্নীতি ও অনীয়ম শোষিত সাধারণ সি.এন.জি শ্রমিক আর কতিপয় ব‍্যক্তিদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।

জেলা মৌলভীবাজার :

বিভাগ সিলেট:

সর্বমোট গ‍্যাস চালিত সি.এন.জি অটোরিকশা আনুমানিক ৩২০০ /৩৫০০

সর্বমোট ষ্ট‍্যান্ড বা ইউনিট : ৩২ টি। কার্যকর আছে ২৮ টি ইউনিট।

একটি সি.এন.জি অটোরিকশা ঐ ২৮ ষ্ট‍্যান্ডের যেকোন একটিতে প্রাথমিক অন্তর্ভূক্তির সময় অথবা নতুন অন্তর্ভূক্তির সময় সি.এন.জি প্রতি গুণতে হয় মালিকপক্ষকে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা, কোন বৈধ রশিদ ছাড়া। 

যদি প্রতিটি ষ্ট‍্যাণ্ডে গড়ে ১২৮ টি সি.এন.জি অটোরিকশা থাকে তাহলে ৩৫০০ টি সি.এন.জি থেকে ইউনিট গুলোর সর্বমোট আয় হয়ছে এ পযর্ন্ত এক কোটি পচাত্তর লাখ টাকা ১৭৫০০০০০০/=

প্রতিদিন শ্রমিককল্যাণ তহবিলের নামে ষ্ট‍্যান্ডের নিজস্ব লিষ্টেড গাড়ি প্রতি ২০ টাকা নেয়া হয়,সিরিয়াল দেয়ার জন‍্য বা পার্কিং এর জন‍্য ঐ ২০ টাকা থেকে আবার ২ টাকা যায় জেলা সি.এন.জি শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসে এবং আরো ২ টাকা যায় উপজেলা সি.এন.জি শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে, বাকী ১৬ টাকা নেয়া হয় প্রতিটি ষ্ট‍্যান্ডের অফিসে। (অথচ ২০ টাকা আদায় করা হয় শ্রমিককল্যাণের নাম করে) যদি গড়ে ৩২০০ টি সি.এন.জি অটোরিকশা হতে ২০ টাকা হারে আদায় করা হয় তাহলে প্রতিদিন সর্বমোট আদায় হয় ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা অর্থাৎ মাসে ২১০০০০০/= ( একুশ লক্ষ ) টাকা যা চালক বা শ্রমিকদের কল‍্যাণে ব‍্যয় করার কথা কিন্তু এই টাকা গুলো কাদের পকেটে যায়?

সব থেকে মারাত্মক যে বিষয়টি হচ্ছে প্রতিটি সি.এন.জি অটোরিকশা হতে মাসিক উপজেলা কমিটি আদায় করে, ২৫০ টাকা হারে এবং যেহেতু শতকরা ৯০ ভাগ গাড়ির নেই কোন কাগজপত্র বা মেয়াদউত্তীর্ণ কাগজ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালক তাই ঐ টাকা থেকে ১০০ টাকা দেয়া হয় বিয়ানীবাজার থানাকে, ৫০ টাকা বড়লেখা থানাকে, ৫০ টাকা জুড়ি থানা, ৫০ টাকা কুলাউড়া থানাকে। বড়লেখা থানার এসব সি.এন.জি কুলাউড়া থানার পর জেলা শহর মৌলভীবাজার বা বিভাগীয় শহর সিলেটে যেতে পারেনা কারণ ঐখানের পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এ উৎকোচ যায় না। 

যদি বড়লেখায় গড়ে ৩৫০০ টি সি.এন.জি থাকে এবং প্রতি মাসে ২৫০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হয় তাহলে মোট টাকার অংক প্রতি মাসে ৮,৭৫,০০০/= ( আট লক্ষ পচাত্তর হাজার ) টাকা। আর এসব অবৈধ কাজ ও দুর্নীতির ফলে বাংলাদেশ সরকার বঞ্চিত হচ্ছেন কোটি টাকার রাজস্ব থেকে। 

( তথ‍্যসূত্র সাধারণ সি.এন.জি চালক, সি.এন.জি মালিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নের কিছু নেতা)


এটি একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং এই সংঘবদ্ধ অপরাধে প্রথমে জড়িত শ্রমিক ইউনিয়নের নাম করে উপজেলা পর্যায়ের এসব কমিটি এবং কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা থাকেন সহযোগিতায়।

বিঃদ্রঃ একটি বিষয় একটু চিন্তা করে দেখুন তো এসব শ্রমিক নেতা নামধারী কতিপয় দূষ্কৃতিকারীদের আয়ের উৎস কি বা কি কারণে এরা লক্ষ টাকা খরচ করে নির্বাচন করে একটি পদ পাওয়ার আসায়?


পানি ও বিদ‍্যুৎ সাশ্রয়ে দেশীয় প্রযুক্তি।

পানি ও বিদ‍্যুৎ সাশ্রয় প্রকল্পে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের অনুমোদনের পরেও প্রতিবন্ধতকতা সৃষ্টির কারণ কি?


পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভবন গুলোতে বিদ‍্যুৎ ও পানি সাশ্রয়ে তাদের দেশিয় প্রযুক্তিতে এমন একটি  প্রযুক্তি ব‍্যবহৃত হয় যা, বিদ‍্যুৎ ও পানি উভয়ই সাশ্রয়কারী।


বিগত ২০২০ ইং সনের মার্চ মাসে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরী একটি ডিভাইস, যা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনকৃত এবং মূল‍্য নির্ধারণকৃত  ছিলো প্রতিটি মাত্র ৯,৫০০/= ( নয় হাজার পাঁচশত )  টাকা। এই ডিভাইসটির কাজ হলো, পানির পাম্প যা বিদ‍্যুতের সাহায‍্যে চলে তার সাথে সংযুক্ত থাকবে এবং নিচের রিজার্ভ পানির ট‍্যাংকি হতে, উপরে যে ট‍্যাংকিতে ব‍্যবহারের জন‍্য পানি ধরে রাখা হয়, তা সম্পূর্ণরূপে ভরে যাওয়ার পর, কোন মানুষের সাহয‍্য ছাড়া সংক্রিয় ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়া উপরের পানি ধরে রাখার যে ট‍্যাংকি থাকে, তার ভেতরে একটি সেন্সর দেয়া থাকবে এবং যখনি ব‍্যবহারের ফলে ঐ ট‍্যাংকির পানি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে কমে যাবে, তখন, আমাদের দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরী ঐ ডিভাইস স্বয়ংক্রিয় ভাবে পুনরায় চালু হয়ে উপরের ট‍্যাংকি ভরার পর পুনরায় বন্ধ হয়ে যাবে। এতে বাড়তি কোন লোকের প্রয়োজন নেই সময়, সময় পানির পাম্প চালু ও বন্ধ করার জন‍্য।


এই প্রযুক্তি ব‍্যবহারের ফলে সরকারি ভবনগুলোতে অনেক সময়, অসাবধানতাবশত পানির পাম্প এর বৈদ‍্যুতিক সুইচ বন্ধ না করার ফলে, বেশির ভাগ সময় পানি ট‍্যাংকি ভরে যাওয়ার পর উপছে পড়তে থাকে। এতে একসাথে পানি ও বিদ‍্যুতের অপচয় হয়। 

আমাদের এই ডিভাইসটি ব‍্যবহারের ফলে অবশ‍্যই পানি ও বিদ‍্যুতের অপচয় অনেকাংশে রোধ করা যেতো, যদি তা সরকারি সব ভবনগুলোতে পর্যায়ক্রমে স্থাপন করা যেতো, বিশেষ করে জেলা শহর ও বিভাগীয় শহরগুলোতে।


আমার ভাবনা, চিন্তায় ছিলো, পানি ও বিদ‍্যুৎ সাশ্রয়ের এরকম একটি প্রকল্পের কাজ আমাদের, মাননীয় মন্ত্রী জনাব শাহাব উদ্দিন ( বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়) মাধ‍্যমে বাংলাদেশে যদি প্রথম চালু হতো তাহলে দেশের পরিবেশের উপকার তো হতোই, সেই সাথে সম্মান বয়ে আনতো পুরো দেশে আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের।

এই বিষয়ে মাননীয়  মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে উক্ত প্রজেক্টের ইঞ্জিনিয়ার ও পরিচালকদের আলাপ, আলোচনা করার পরে উনি বিস্তারিত শুনে ও বুঝে, আমাদেরকে সচিবালয়ে দরখাস্ত দিতে বলেন, সে অনুযায়ী আমাদের প্রজেক্টের পরিচালক মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বরাবরে আবেদন করেন এবং মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সে দরখাস্তটি অনুমোদনও করেন এবং উনার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের নিকট প্রেরণ করেন। তারপর দেশ ব‍্যাপি আরম্ভ হয় মরণব্যাধি কোরনা ভাইরাসের প্রকোপ। পরবর্তীতে কোরনা সংকট কেটে গেলে, আমাদের ঢাকার প্রতিনিধি বার বার সচিবালয় ও মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি কারণ মন্ত্রী মহোদয় তো অনুমোদন দিয়েই দিয়েছিলেন পূর্বে। তাহলে কি কারণে ফাইলটি বছরের উপরে তৎকালীন সচিবের টেবিলে পড়েছিলো? আর ঐ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন‍্য, কে কি চেয়েছিলেন ঐ ২৫,০০০০০০০/= ( পঁচিশ কোটি) টাকার প্রকল্পে তা শুধুমাত্র আমি নয়, বড়লেখার এক ছোট ভাই ও ঢাকা শ‍্যামলীস্থ, গ্রীন লাইফ বাংলাদেশ হাসপাতাল এর ব‍্যবস্থাপনা পরিচালক কমাল ভাইও খুব ভালো করেই জানেন। 

আমরা চেয়েছিলাম প্রাথমিক অবস্থায় একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ‍্যমে একটি বিভাগের, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের, জেলা পর্যায়ের সবগুলো ভবনে প্রযুক্তিটি স্থাপন করতে এবং স্থাপন পরবর্তী এক বছর ডিভাইসটির ওয়ারেন্টিও ছিলো  এবং প্রকল্পটির জন‍্য বরাদ্দকৃত অর্থ বিশ্ব জলবায়ু সংস্থার ফান্ড থেকেও নেয়া যেতো।


মন্ত্রী মহোদয়ের অনুমোদনের পরেও, ফাইলটি কি, কারণে বা কার অবহেলা ও কিসের স্বার্থে মুখ থুবড়ে পড়েছিলো??? তা আমার, কামাল ভাই ও বড়লেখার ঐ ছোট ভাইয়ের এর খুব ভালো করে জানা আছে। এ যে দেখলাম সর্ষের মধ‍্যে ভুত!!!?


বিঃদ্রঃ উক্ত প্রকল্পে সম্পূর্ণ ব‍্যক্তি স্বার্থে যে বা যারা, প্রতিবন্ধকতা তৈরী করেছেন, আমি মনেকরি তারা দেশ ও জাতীয় শত্রু এবং তারা নিজের লোক হলেও একবারোও চিন্তা করেন নি যে, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সুনাম বয়ে আনতো যে প্রকল্প তাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন?

মাদক ব‍্যবসায় ও সীমানতবর্তী বড়লেখা উপজেলায় মাদকাসক্ত আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি।

সীমান্তবর্তী উপজেলা বড়লেখায় মাদক চোরাচালান ও এর ব‍্যাপক ব‍্যবহার। বড়লেখা উপজেলার সাথে ভারতের সর্বমোট সীমান্ত আছে প্রায় ২০ কিঃমিঃ। বেশিরভাগ প...